গল্প:: বাবুল ও গুল্লুর রূপকথা - রাই পারমিতা আইচ


বাবুল ও গুল্লুর রূপকথা
রাই পারমিতা আইচ

জ্যৈষ্ঠের পিচগলা গরমে রাস্তার পাশের গাছপালাগুলো তেতেপুড়ে যাচ্ছে। পথচলতি মানুষ নেই বললেই চলে। কার বা আর সাধ করে ভাজা ভাজা হওয়ার ইচ্ছে হয়! সকাল থেকেই জাবদা নীল আকাশটা গায়ে জব্বর একটা মেঘলা ম্লান আলখাল্লা পড়েছিল। তারপর যে আবার সূর্যের চোখরাঙানি হবে তা কে বা বুঝবে!
নুয়ে পড়া সন্ধ্যামালতির মতো একমনে ঘাড় বেঁকিয়ে পথ চললেও স্কুল থেকে বাড়ি যাওয়ার ইচ্ছে নেই বাবুলের। চারপাশ জনমানবহীন। কেমন চুপচাপ। যেন প্রকৃতিকে কেউ মুখে আঙুল দিয়ে বসে থাকতে দিয়েছে। ঘামে শপশপ করছে তার ইউনিফর্ম। একা রাস্তার পাশের শানবাঁধানো গরম বেঞ্চিটাতে এসে বসল সে। পা দোলাচ্ছে জোরে। মুখে রাগ প্রকাশ করছে, অঙ্গভঙ্গি করছে একা একা।
স্কুলে ওকে মেরে ইউনিফর্মটা আজ ছিঁড়েই দিয়েছে পল্টনের বাহিনী। পাগল পাগল বলে মারকুটেগুলো কেবল ওকে খেপায়! বাবুল টেনে টেনে ছিঁড়ছে জামার বোতামগুলো। চোখ ভেসে যাচ্ছে জলে। বাড়ি ফিরলে তো আর রক্ষে নেই আজ! ও কি পারে ওই ডাকাতে মারকুটে বাহিনীর সঙ্গে?
মা’র আদর না থাকলে কি বাড়ি যেতে ইচ্ছে করে কারও! ভগবানের সঙ্গে ওর আড়ি। মাকে কেন এত তাড়াতাড়ি নিয়ে নিল?
বাবা নতুন মা এনেছে বটে তবে ঐ রাক্ষুসে মহিলা বাবার সামনে এমন ভালোমানুষি করবে যেন কত্ত ভালোবাসে! আর বাবার পিছনে ইচ্ছে করে বুঝেও বোঝে না তার ভালো পেটভরা খাবার আর একটু ভালোবাসা পেলেই হয়। এসব ভাবতে নতুন মায়ের বয়েই গেছে। তিনি টিভি নিয়েই ব্যস্ত। একা একা পড়ো, একা স্কুলের হোমওয়ার্ক করোকিছুতেই ভালো লাগে না। তবু মা আসবে না।

মাকে ছাড়া পেরিয়ে গেল কতকগুলো বছর। একা থাকলে কতো কী মনে পড়ে বাবুলের। মায়ের সঙ্গে কয়েকবার মামাবাড়ি গেছে বাবুল। মামারা নাকি এককালে জমিদার ছিল। বাবুল যখন গেছে তখন অবশ্য তেমন কিছুই ছিল না মস্ত তিন মহলা বাড়িটা আর অদ্ভুত এক চেয়ার ছাড়া। ওটা নাকি পৈতৃক সূত্রে পাওয়া চেয়ার। কত গল্প জড়িয়ে আছে সেই চেয়ার জুড়ে। মামা তাই কাউকে বসতে দেন না। সেই তিনতলার বন্ধ দরজাটার ভেতরে থাকে চেয়ারটা। মামা মামি একলা যক্ষের মতো আগলে বসে আছে ঐ সম্পত্তি। খুব আদর যত্ন করতেন দুজনেই। শ্যাওলা পুকুরের মাছ, নিজেদের টাটকা খেতের সবজি, গরুর দুধ - কী নেই! অথচ তবু মানুষদুটো শুধু রোগাই নয়, কেমন রক্তশূন্য। উপরন্তু তাদের কোনো ছেলেপুলেও ছিল না। বাবুলের খেলার সঙ্গী ছাড়া মন বসে না তার। ওহ বলা হয়নি। শান্ত স্থির কাকচক্ষু জলের পুকুরটাতে নাকি ডুব দিলেই রাশি রাশি শ্যাওলায় মানুষ ঢেকে যেতঅথচ পুকুরে কোনো শ্যাওলা দৃশ্যমান হয় না। তাই পুকুরের নাম ছিল শ্যাওলা পুকুর। ভয়ে কেউ স্নান করতে নামত না।
সে বাড়ি বেহদ্দ গ্রামে হলেও কী অপরূপ তার চারপাশের প্রকৃতি। ভিজে মাটির গন্ধ পাওয়া যেত ঠান্ডা বাতাসে। রাশি রাশি জোনাকি যেন লন্ঠন ধরে রাতবাতি জ্বেলে রাস্তা দেখায়। অথচ এসব সৌন্দর্য উপভোগ করা যাবে না। কী অদ্ভুত নিয়ম সে বাড়ির। বাবুল বায়না জুড়েছিল জেগে থাকার। কিন্তু মামা মামি কেমন রহস্যজনকভাবে বলেছিল - না, জাগতে নেই। শুধু এ বাড়ি নয়, গোটা গ্রামের লোকই বেলাবেলি খেয়েদেয়ে আলো নিভিয়ে শুয়ে পড়ে। ভোরের আগে কেউ ওঠে না। মায়ের ওপর খুব রাগ করেছিল বাবুল।
বাবুলের একরাতে ঘুমটা কেমন আলগা হয়ে গেছিল। হিসি পেয়েছিল কিনা তাই। না, বাবুল কাউকে ডাকেনি। এতদিনের অনুসন্ধানী মন আর সাহস জড়ো করে এদিক সেদিকে চোখ সইয়ে কিছুই দেখতে পেল না। এরপর পায়ে পায়ে উঠে গেছিল তিনতলায়। আবিষ্কারের নেশা তখন তার রক্তে পিঁপড়ের মতো ছুটছে। সিঁড়ির শেষ ধাপে কেমন চাতালের মতো একটা অংশ। ন্যাড়া ছাদের মতো, আবার বেড়ার গেট করা। অন্ধকারে ভালো দেখা যাচ্ছিল না। তবু বাবুল ধীরেসুস্থে গেট-টা সরিয়ে ঢুকল। কী সুবিশাল একটা ঘর। কিন্তু খালি তো ঘরটা। মনে হচ্ছে দেয়ালগুলোতে আয়না বা তেলচিত্র ঝোলানো। দূরে মনে হচ্ছে চেয়ারটা এবার সে দেখেছে। লক্ষ করে ছুট লাগালএমাথা ওমাথা দেখা যায় না হলঘরটার। প্রায় পৌঁছে চেয়ারটা ছুঁয়ে ফেলেছে।
হঠাৎই ঘরটা দুধের সরের মতো আরও জমাট নিকষ কালো আঁধারে ছেয়ে গেল। ঝাঁকে ঝাঁকে বাদুড় উড়তে লাগল। আরও কিছু উড়ে আসতে শুরু করল চারপাশ থেকে। যেন খবর পেয়েছে সুখাদ্যের। তাদের চিঁ-চিঁ তীক্ষ্ম শব্দে আতঙ্কে বাবুলের বুকের জল শুকিয়ে যাচ্ছিল। ওরা আক্রমণ করেছে দল বেঁধে। মনে হচ্ছে রক্ত শুষে ছিবড়ে করে দেবে শরীরটা। তাহলে মামা-মামির কী... ভাবতে পারে না। বাঁচতে তাকে হবেই। বাবুল শেষ চেষ্টা করল একটা। কোনোমতে ছুটতে ছুটতে হলঘরটা পেরিয়ে বেড়ার এপাশে এসে পা দিয়েছে। তিনদিক খোলা জায়গাটার কার্নিশে পা পড়েছে। সরাবার আগেই পিছলেছে পা-টা। নীচে কোথাও পড়ে যাচ্ছে সে। ভয়ে আর্তনাদ করছে কিন্তু গলা দিয়ে আওয়াজ বেরোচ্ছে না। এবার তার জ্ঞান হারাচ্ছে বুঝতে পারল বাবুলমায়ের জন্য কান্না আসছে। মা কি খুঁজে পাবে তাকে? হঠাৎই একটা ঝাঁকুনি, কেউ যেন তাকে নিজের কাছে টেনে আনতে চাইছে। ঠান্ডা একটা হাতের স্পর্শ অনুভব করল বাবুল। কিন্তু মুখটা ঠিক পরিষ্কার হল না তার। শুধু বুঝতে পারল বেশ লম্বা তাল ঢ্যাঙা লোকটাজ্ঞান হারাবার আগে যেখানে পড়ল সেটা একটা ফুলেল নরম গদির মতো কোল। কেউ যেন নিশ্চিন্তের আশ্রয় দিল তাকে।
এরপর আর কখনও বাবুলের মামাবাড়ি যাওয়ার সুযোগ হয়নি।

*                   *                   *

আজ হঠাৎই বেমক্কা ঘূর্ণিহাওয়াটাতে মা’র দেওয়া ভালোবাসার শেষ উপহার, লাল ছাতাটাও হাত থেকে উড়ে ঢুকে গেল কাঁটাঝোপে। মা কেমন রেশমের সুতোয় ভালোবাসার ফোঁড়ে লিখে দিয়েছিল তার ডাকনাম। সোনা।
বাবুলের বহুক্ষণ ছাতা উদ্ধারের সব চেষ্টা বিফলে গেছে। উপরি স্কুলড্রেসটাও ছিঁড়ে-ফেটে একশাগা কেটে রক্ত ঝরছে, জ্বালায় ব্যথায় বাবলু চেঁচিয়ে উঠল, “মাআআআ! মাগো!” চোখ ভিজেছে তার জলে। দুপুরের একঠায়ে নীরবতায় আওয়াজটা প্রকৃতির শরীরে ধাক্কা খেয়ে খান খান হয়ে যাচ্ছে শুধু। হাতের উলটো পিঠে চোখের জল মুছে বাবুল ঠোঁটের কোণে হাসি টেনে ভাবে এই আওয়াজটা নিশ্চিত মা’র কাছে গেছে।

*                   *                   *

সামনের ডোবাটাতে কতকগুলো কুকুর আরামে গা ডোবাচ্ছে। খেলছে। ওদের দেখে কিছু মনে পড়ে বাবুলের। গলার কাছে কান্নার দলাটা আরও একবার ঘুরপাক খাচ্ছে। মা বলত, ‘বোকা ছেলে, বড়ো হলে তুই আর এত কাঁদবি না দেখিস।’ কই, সে তো কত্ত বড়োক্লাস ফাইভ। তবু কেন কান্না পায়!
“ঠিক আমাদের দুজনেরই কান্না পায়, বল গুল্লু।” অস্ফুটে বলে ওঠে বাবুল। ওর আদরের গুল্লুকে নেড়ি বলে লাথি দিয়ে এই মা যেদিন ঘরছাড়া করল তারপর থেকেই ওর শুরু হল সারা শরীরময় কেমন জ্বালা, ব্যথাকিন্তু নির্দিষ্ট জায়গাটা ডাক্তারকে দেখাতে পারে না। ধীরে জন্ম নিল মনের সেই ভুলো রোগটা। তার সঙ্গে অকারণে ভীষণ ভয় জাগে মনে। মাথা ব্যথা করে অসহ্য। কেমন চারপাশ অচেনা লাগে যেনমোট্টে বাড়ির রাস্তার হদিস পায় না তখন। কালো মনের গায়ে গজিয়ে ওঠে মুঠো মুঠো শ্যাওলা। আর আতঙ্ক! কালো পর্দাটা চোখের সামনে টেনে আনে কেউ। বাবুল অজ্ঞান হয়ে যায়।
স্কুলের মাস্টার বাবাকে বলেছে শহরে দেখাতে। এ রোগ নাকি গুরুতর! দেখতে দেখতেই চিতার ধোঁয়ার মতো বাবুলের চারপাশে পাক খেয়ে উঠছে অন্ধকার। মাথাটা ঘুরছে। আবার কানে বেজে উঠেছে ঝিঁঝিঁদের ডাক। চোখের সামনে ঝুলছে কালো আবছায়ারা...। তারার সমষ্টি অবচেতনে বিনবিন করে বাবুলের সামনে একটা আকার ধারণ করছে। বাবুল স্তব্ধ, নিশ্চল।

*                   *                   *

চোখে বৃষ্টির মতো জলের ছিটের সঙ্গে মনোমুগ্ধকর সুমিষ্ট গন্ধে একটা অন্য জগতে জেগে উঠেছে সে। একটা কুকুর বাবুলের গায়ের কাটা জায়গাগুলো জিভ দিয়ে চাটছে। পায়ে গলা ঘষে চোখ বুজে চরম আশ্লেষটুকু শুষে নিচ্ছে। আর একটা তেঢ্যাঙা রোগা লোক হাসিমুখে ওর ওপর ঝুঁকে পড়েছে। স্প্রিং-এর মতো গলা। মাথায় কারুকাজ করা বরের টোপর। সাজপোশাক বেশ দামী ও পরিপাটি।
এই লোকটিকে আগে কোথাও কি দেখেছে সে! মনের অন্ধকার জগতে দীর্ঘ অনুসন্ধান চালাচ্ছে বাবুল।
না! কিছু মনে পড়ছে না তার! “তুমি কে গো? এটা কোন জায়গা? এখানে এলাম কখন আমি!” এক নিশ্বাসে অধৈর্য হয়ে বাবুল জিজ্ঞেস করল লোকটাকে।
“আরে রোসো রোসোএতগুলো পেশ্ন একসাথে করলি আমি উত্তর দেব কেমনে! আমি এ অঞ্চলের ভূতের রাজা। তোমাকে তো চিনি।
যারা ডাকে তাদের কাছে সহজেই আসি।
একটু তোমার পাশে বসি?
আবার বিপদে পড়লে নিজে থেকেও উপকার করি।
ভরসা ভালোবাসা আর বন্ধুত্বে জগত ভরি।”
ততক্ষণে বাবুলের মনে সাতরঙা রামধনু দেখা দিয়েছে। মা’র লাগানো আকাশমণি গাছটা ফুলে ভরে উঠছে বহুদিন পর। এত খুশি সে আগে কখনও হয়নি। ভুতের রাজাকে ক্রমান্বয়ে নিজের সব কষ্ট, সমস্যার কথা উজাড় করে বলল বাবুল।
“জানো তো আমার ভেতরে একটা দুখো নদী আছে। এতগুলো কষ্টের ঢেউ জমা আছে সেখানে। ওরা যখন তোলপাড় করে তখন আমার মনে মাথায় কষ্ট বাড়ে।”
শুনে ভূতের রাজা বেচারার চোখে জল। বেঞ্চে বসে হাতে হাত ঘষে “কিছু উপায় একটা বার করতেই হবে।” নিমেষে হাতের নখগুলো থেকে জেগে উঠল অদ্ভুতদর্শন এক দণ্ডকীসব দুর্বোধ্য মন্ত্র আওড়াতে লাগলেন রাজামশাই এক মনে।
“আচ্ছা ভূতের রাজা, কোথায় তোমার বাড়ি?
কে রাজা কে প্রজা কেমনে বুঝতে পারি!
তোমার তো মুকুটও নেই, রাজবেশও নেই।” বাবুল জিজ্ঞেস করে।
তিনি ফকফকে সাদা দাঁতগুলো বার করে হাসেন, বলেন,
“রাজমুকুট বড্ড ভারি
মস্তকে তা রাখতে নারি।
আচ্ছা বাবুল বাবু একদিন সে দেশে নিয়ে যাব ’খন।”
সন্ধে নামার আয়োজন চলছে আকাশে। বাবুলের ঘুমটা ভেঙে গেল যেনপুরোনো ঘটনা তো কিছুই মনে করতে পারছে না! শুধু রাজামশায়ের মুখটা ভেসে উঠছে। সে বাড়ি যাবার তোড়জোড় করতেই স্বপ্নে দেখা গুল্লু সশরীরে এসে উপস্থিত। তাকে ঘিরে নেচে ছুটে একাকার করছে। খিলখিলিয়ে হাসছে বাবুল। গুল্লুর গলার দাগটা দেখে মনে যেন রেল ছুটছে।
মাথাটা ব্যথা করছে... খেয়ালে আসছে এবার। কুকুরটাকে চিৎকার করে কোলে তুলে খুব আদর করছে বাবুল। প্রথম চাওয়াটা তাহলে ভুতের রাজা পাইয়ে দিল! বাবুলের মুখময় ছড়িয়ে পড়ছে চওড়া হাসি। এবার বোধহয় পরেরটা, মানে ঐ পল্টন বাহিনীর বদমাইসি... হ্যাঁ। বলেছে তো রাজামশাই কিছু অসুবিধা হলেই ডাকতে। বড্ড বাড় বেড়েছে ওদের, একটু অন্যরকম শিক্ষা দিতে হবে।
এ কী! গুল্লুর গা চিরে রক্ত ঝরছে। তখনও লোম ঝেড়ে শেষ জলটুকু গুল্লু প্রাণপণ মাখিয়ে দিচ্ছে বাবুলের চোখেমুখে। গলায় এখনও জ্বলজ্বলে সেই খুন্তিপোড়া দাগটা। দুজনে গলা ছেড়ে আবার গান গাইছে। গুল্লুকে জড়িয়ে ধরতেই নজর গেল বেঞ্চে। আরে! তার বসার জায়গার পাশে সযত্নে রাখা মায়ের ছাতাটা যে।
সবটুকু এখন বাবুলের কাছে পরিষ্কার। সব পেয়েছির আনন্দে বহুদিন পর ভেউভেউ করে পাগলের মতো কাঁদছে বাবুল। কুঁইকুঁই করে গুল্লু। রঙিন ওড়নার ভালোবাসার প্যাঁচে জড়িয়ে নিয়েছে ওদের বিকেলের পড়ন্ত সূর্যটা। ওরা বাড়ি ফিরে এসেছে। একগাল হেসে বাবুলকে স্কুলড্রেস ছাড়িয়ে দিচ্ছেন নতুন মা। দুজনেই হতবাক! শুধু মায়ের লাগানো উঠোনের আকাশমণি গাছের তলায় দাঁড়িয়ে সেই ভূতের রাজা! মিটিমিটি হাসছে। আর হাত নাড়ছে।
বাবুল ওদের ভাষায় বলে, ভূতের রাজা যেও না গো। তোমার জন্য একটা ছড়া বেঁধেছি। সে ভাষা বোঝে না আশপাশের কেউ। ততক্ষণে সে আবৃত্তি শুরু করেছে...
ভূতের রাজা আছেই সাথে
চিন্তা কিছুই নেই।
সকাল সন্ধে ভরসা জোগায়
প্রত্যয় সুরেই।
এক তুড়িতেই কাজ সমাধান
হাসি ফোটান রাজা
ওনার মতে মিলবে উপায়
সঠিক বুদ্ধি খোঁজা
হিকাস পিকাস মন্ত্র নয় গো
ম্যাজিকেরই বেশে,
জয় বলো জয় ভূতের রাজার
ভালোবাসার দেশে।।
----------
ছবি - মেটা এআই

No comments:

Post a Comment